Responsive image

চীনকে রুখতে বিশেষ বাণিজ্য নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ বাইডেন প্রশাসনের

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক:  চীনের ভারসাম্যহীন বাণিজ্যিক আচরণ রুখতে বিশেষ বাণিজ্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সম্প্রতি সেমিকন্ডাক্টর থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারিসহ বিভিন্ন জটিল পণ্যপ্রাপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা নিয়ে এক অনুসন্ধানের পর এমন সিদ্ধান্তের কথা জানায় বাইডেন প্রশাসন। খবর: রয়টার্স।

খবরে বলা হয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যে চীনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে ‘সাপ্লাই চেইন ট্রেড স্ট্রাইক ফোর্স’ গঠন করেছেন মার্কিন বাণিজ্যসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা। তারা সরবরাহ চেইনে ফাঁপা জায়গা তৈরিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম লঙ্ঘনের মতো ঘটনার অনুসন্ধান করছেন। এগুলো হতে পারে শুল্ক অথবা অন্যান্য প্রতিকার।

হোয়াইট হাউজের আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও প্রতিযোগিতা বিভাগের জ্যেষ্ঠ পরিচালক পিটার হ্যারেল এমনটা জানিয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেকশন ২৩২-এর অধীনে একটি তদন্ত শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। বিশেষ করে মোটর ও অন্যান্য শিল্প-কারখানার যন্ত্রপাতিতে ব্যবহূত নিউওডিয়াম ম্যাগনেট আমদানির ফলে জাতীয় সুরক্ষায় কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা খতিয়ে দেখা হবে। নিউওডিয়াম আমদানির জন্য যুক্তরাষ্ট্র অনেকাংশে চীনের ওপর নির্ভরশীল।

এর আগে, ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জটিল সরবরাহ চেইনগুলোর একটি পর্যালোচনা তৈরির জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ কাজের জন্য তিনি নির্বাহী এজেন্সিগুলোকে ১০০ দিনের মধ্যে এ পর্যালোচনামূলক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। অন্যান্য দেশ থেকে সংগ্রহ করতে হয় এবং ফার্মাসিউটিক্যালে ব্যবহূত হয় কিংবা দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থগুলোর মতো জটিল পণ্যের সরবরাহ চেইন নিয়ে এ পর্যালোচনা করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। যদিও এটি সরাসরি চীনের প্রতি ইঙ্গিত বহন করে না। তবুও এ পর্যালোচনা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তির দেশটির তৈরি চ্যালেঞ্জের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে তুলে ধরাই উদ্দেশ্য ছিল।

বাইডেন প্রশাসনের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা জারেড বার্নস্টেইন বলেন, প্রতিবন্ধকতাগুলো সহজ করতে আমরা সরবরাহ চেইনের পেছনে থাকা সব রসদকে বোঝার চেষ্টা করছি। এটি করার একটি অন্যতম উপায় হলো শিল্পসংশ্লিষ্ট লোকজনের সঙ্গে প্রচুর আলোচনা করা এবং আমরা এক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছি।

কভিডকালীন যুক্তরাষ্ট্র চিকিৎসা সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে ব্যাপক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছে। বর্তমানে দেশটির বেশ কয়েকটি খাতে আরো বেশি প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হচ্ছে। যেমন কম্পিউটার চিপের ঘাটতি, গাড়ির উৎপাদন হ্রাস পাওয়া। হোয়াইট হাউজ বলছে, এসব স্বল্পতা কাটিয়ে উঠতে তারা বেসরকারি শিল্প সংস্থাগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

(এসএএম/১০ জুন ২০২১)

Short URL: http://biniyogbarta.com/?p=147065

সর্বশেষ খবর