জাপান এয়ারলাইনস

সাবঅর্ডিনেট লোন ও বন্ড থেকে

২৭০ কোটি ডলারের তহবিল সংগ্রহ করবে জাপান এয়ারলাইনস

বিনিয়োগবার্তা ডেস্ক: নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে অর্থনৈতিক ক্ষতি থেকে উত্তরণে সাবঅর্ডিনেট লোন ও বন্ড থেকে প্রায় ২৭০ কোটি ডলার (৩০ হাজার কোটি ইয়েন) সংগ্রহের ঘোষণা দিয়েছে জাপান এয়ারলাইনস।

সম্প্রতি জাপানের জাতীয় বিমান পরিবহন সংস্থাটি এমন তথ্য জানায়। খবর: কিয়োদো নিউজ।

জাপান এয়ারলাইনস জানায়, সংগ্রহকৃত এ তহবিলের অর্থ এয়ারবাস এ৩৫০ উড়োজাহাজ ক্রয়ে ব্যবহূত হবে। এয়ারবাসের এ মডেলকে পূর্ববর্তী উড়োজাহাজের মডেলগুলোর তুলনায় বেশি পরিবেশবান্ধব বলে গণ্য করা হয়। ভবিষ্যতে এয়ারবাসের এ৩৫০ মডেলটি আন্তর্জাতিক পরিবহনের ক্ষেত্রে জাপান এয়ারলাইনসের প্রাথমিক এয়ারক্রাফট হিসেবে বিবেচিত হবে বলেও জানায় জাপান এয়ারলাইনস।

জাপানের উল্লেখযোগ্য এ বিমান পরিবহন সংস্থাটি সাবঅর্ডিনেট লোনের মাধ্যমে দেশটির বৃহত্তম ব্যাংকগুলো থেকে ২০ হাজার কোটি ইয়েন সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে। জানা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক অব জাপানের পাশাপাশি বিমান সংস্থাগুলো এমইউএফজি ব্যাংক, মিজোহো ব্যাংক ও সুমিতোমো মিত্সুই ব্যাংকিং করপোরেশন থেকে এসব ঋণ সংগ্রহ করবে। বাকি ১০ হাজার কোটি ইয়েন সংগ্রহ করা হবে সাবঅর্ডিনেট বন্ড ইস্যু করার মাধ্যমে।

বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে জাপান এয়ারলাইনস অন্যতম। এ সময়ে সংস্থাটি ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। গত নভেম্বরে পাবলিক স্টক অফারের মাধ্যমে ১৮ হাজার কোটি ইয়েন সংগ্রহ করেছিল জাপান এয়ারলাইনস। সংকট উত্তরণ ও নিজেদের বহরে প্রতিস্থাপন খরচ মেটাতে এ অর্থ সংগ্রহ করেছিল সংস্থাটি। বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় জাপান এয়ারলাইনসের একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি রয়েছে। জুনের শেষ নাগাদ প্রতিষ্ঠানটির মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত দাঁড়িয়েছে ৪২ দশমিক ৪ শতাংশ।

মার্চে শেষ হওয়া ২০২০ অর্থবছরের প্রতিবেদন অনুসারে ২০১২ সালে পর থেকে সর্বপ্রথম নিজেদের নিট ক্ষতির পরিমাণ জানায় জাপান এয়ারলাইনস। জুনে শেষ হওয়া ২০২১ অর্থবছরের প্রথম তিন মাসের আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ৫ হাজার ৭৯২ কোটি ইয়েন নিট লোকসানের সম্মুখীন হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা কম বলে জানায় তারা। একই সঙ্গে লাভের মুখ দেখাটা একটি চ্যালেঞ্জ বলে জানায় এয়ারলাইনসটি। কারণ হিসেবে তারা বলে, বৈশ্বিক ভ্রমণ চাহিদা মহামারী-পূর্ববর্তী স্তরে পৌঁছাতে আরো সময় লাগতে পারে।

বিনিয়োগবার্তা/এসএএম


Comment As:

Comment (0)