পুঁজিবাজারের কাজে বৈচিত্রতা খুঁজে পাই: মঞ্জুরুল আলম          

কোন প্রতিষ্ঠানের সফলতা ও সুনাম নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন নির্বাহীদের ওপর। তাদের নিরলস শ্রম আর মেধা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও মর্যাদা রক্ষা করতে কাজ করে যায় তারা। এমনই একজন তরুন ‘মঞ্জুরুল আলম’। বর্তমানে কাজ করছেন ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংকের সহযোগি প্রতিষ্ঠান ‘এনসিসিবি সিকিউরিটিজ এন্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস এর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) হিসাবে। এর আগেও বেশ কয়েকটি নামকরা প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। দেশের পুঁজিবাজার নিয়ে প্রায় একযুগ ধরে কাজ করছেন তিনি। বিনিয়োগবার্তার সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কর্মজীবন ও নিজের ভাবনাগুলোকে তুলে ধরেছেন তিনি। পাঠকদের উদ্দেশে তার ‘কর্পোরেট ক্যারিয়ার’ এর চুম্বক অংশ তুলে ধরা হলো।

বিনিয়োগবার্তা: আপনার জন্মস্থান, শৈশব-কৈশোর ও শিক্ষাজীবন সম্পর্কে বলুন।

মঞ্জুরুল আলম: আমার জন্ম হচ্ছে চট্রগ্রামের সীতাকুন্ডে। পড়াশুনা সব চট্রগ্রাম সিটিতেই। আমরা শৈশব-কৈশোর কাটে আগ্রাবাদ সিডিএ সাধারন বীমা কলোনিতে। আগ্রাবাদ সিডিএ হাতেখড়ি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা। এরপর চট্রগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল তারপর কমার্স কলেজে ইন্টারমিডিয়েট। এর পর কমার্স কলেজে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর । এরপর আমি ঢাকায় এসে এমবিএ করেছি । এই হচ্ছে আমার শৈশব-কৈশোর ও শিক্ষা জীবন।

বিনিয়োগবার্তা:  ক্যারিয়ার সম্পর্কে বলুন।

মঞ্জুরুল আলম: আমার প্রথম ক্যারিয়ার শুরু হয় চট্রগ্রামের একটি নামকরা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (চট্টগ্রাম অনলাইন লিমিটেড) কোম্পানি দিয়ে। সেখানে আমি একাউন্ট অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করি। এরপর আমি চলে আসি ঢাকায় গ্রীন ডেলটা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে। এখানে এসেই আমি শেয়ার ডিপার্টমেন্টে কাজ শুরু করি। শেয়ার ডিপার্টমেন্টে এর পাশাপাশি আমাকে ইনভেস্টমেন্ট বিভাগের কাজও দেয়া হয়। এরপর থেকে ইনভেস্টমেন্টও আমি দেখতাম। ইনভেস্টমেন্ট দেখতে দেখতেই আসলে তখন আমরা গ্রীন ডেল্টার ব্রোকারেজ লাইসেন্সটা নেই। এরপর আমার হাত দিয়েই গ্রীন ডেল্টার চট্রগ্রাম এবং ঢাকার ব্রোকারেজ হাউজ যাত্রা শুরু হয়।  গ্রীন ডেল্টাতে যখন আমরা কাজগুলো শুরু করি, তখনি আসলে কাজগুলো করতে করতে ব্রোকারেজে যা কিছু আছে যেমন- লাইসেন্স, অপারেটিং, ম্যানপাওয়ার সব কাজই আমার হাত দিয়ে হয়। যে কারনে এই লাইনে আমার অভিজ্ঞতা অর্জন হয়। আর এই অভিজ্ঞতা অর্জনের পরই আমার সখ জাগে যে আমি এই বাজার নিয়ে কাজ করবো। তখনই জান্তে পারি মার্কেন্টাইল ব্যাংক তাদের ব্রোকারেজটা শুরু করবে এবং শুরুটা আমার হাত ধরেই। তখন মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সিও ছিলেন দেওয়ান মুজিবুর রহামান। তার তত্ত্বাবধানে ওইখানে আমি যোগদান করি। তখন শুধু মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজের লাইসেন্সটাই নেওয়া ছিল, আর কিছুই ছিল না। ওদের সফটওয়ার থেকে শুরু করে লাইসেন্স এক্টিভেট এবং যা যা কাজ সব কিছু ২০০৯ সালে আমার হাত দিয়েই শুরু করি। তার ঠিক দুই বছর পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের নতুন সিইও নিয়োগ দেওয়া হয়। যেহেতু নতুন সিইও এসেছে, তার সাথে নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এসেছে। নানা কারনে বেশিদিন এখানে থাকা হয়নি। এরপর আমি এপেক্স ইনভেস্টমেন্টে যোগদান করি। এপেক্সটা ছিল আগে এস এন এম সিকিউরিটিজ। এস এন এম থেকে কনভার্ট করে এপেক্স ইনভেস্টমেন্ট নামে যাত্রা শুরু করে ২০১১ সালে। আর তখন দেশের শেয়ারমার্কেটের ছিল করুন অবস্থা। তাই আমরা তেমন একটা ভাল করতে পারিনি। তারপর ২০১৪ এর শেষের দিকে আমি এপেক্স ছেড়ে প্রিমিয়ার লিজিং সিকিউরিটিজে চলে আসি সি ই ও হিসাবে। মাঝখানে আমি আবার হাজি আহমেদ ব্রাদার্স সিকিউরিটিজে দুই মাস কাজ করি ওদের কনসালটেনট হিসেবে। তারপর ২০১৫ এর ফেব্রুয়ারীতে চলে আসলাম এনসিসি ব্যাংক সিকিউরিটিজে। সেই থেকে এখোনো পর্যন্ত এখানেই আছি। কাজ করে যাচ্চি চীফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে। আমার এই ক্যারিয়ার জীবনে ৫/৬টি কোম্পানি/প্রতিষ্ঠান বদল হয়েছে। আর এসব বদলের মাঝে আমার কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে।

বিনিয়োগবার্তা: পুঁজিবাজারে ক্যারিয়ার গড়ার পেছনে কারণ কি?

মঞ্জুরুল আলম: এই মার্কেটে আমার কাজ করার আগ্রহ জাগার পিছনে অনেকগুলো কারণ আছে। কারন, এই মার্কেটটা প্রতিদিন ওঠা-নামা করছে, শেয়ারের দাম বাড়ছে-আবার কমছে, আসলে এখানে একটা মজা আছে। প্রতিদিন একটা উত্তেজনা কাজ করে, কিন্তু অনান্য চাকুরীতে বা পেশায় এই জিনিসটা নাই। অনান্য জবে দেখা যাচ্ছে ট্রেডিশনাল কাজ করতে হয়, একই ধরনের কাজ অনেকদিন করতে হয়। ক্যাপিটাল মার্কেটে আমি যা দেখলাম এই মার্কেটে এখনও সবদিক থেকে সক্ষম লোকের অনেক অভাব আছে। এখনও পর্যন্ত এই অভাবের মধ্যেই মার্কেট চলছে। আমি বিশ্বাস করি, এখানে স্বক্ষমতা অর্জনে যারা ভাল করতে পারবে তারাই সফল হতে পারবে। এই আশা নিয়েই এই মার্কেটে কাজ শুরু করা এবং এখনও পর্যন্ত এই চেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।

বিনিয়োগবার্তা: পুঁজিবাজার বাজার নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা সম্পর্কে বলুন।

মঞ্জুরুল আলম: এখন দেখবেন যে বড় বড় ব্রোকারেজ হাউজ গুলোর প্রোডাক্ট লাইন আছে। এই প্রোডাক্ট লাইন এর কথা ২০১৪ সালে আমরা প্রথম চিন্তা করি এবং প্রথম প্রোডাক্ট আমরা বের করি। প্রথম প্রোডাক্ট হিসেবে ‘আইপিও’ সেবা আমরা মার্কেটে ছাড়ি। দেখা গেলো যে আইপিও দিয়েই একটা শাখা হতে পারে। তারপর কমিশন এজেন্টদের জন্য একটা প্রোডাক্ট বের করি, যারা কমিশনে ট্রেড করতে চায়। কর্পোরেটদের জন্য একটা প্রোডাক্ট বের করি, আর একটা প্রোডাক্ট আমরা আনতে চেয়েছিলাম যেটা কর্পোরেট লেভেল ছাড়াও বিশেষ করে যারা অনলাইনে ট্রেড করতে আগ্রহী, সারা বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে যারা ট্রেড করতে আগ্রহী, আমি চেয়েছিলাম বুথ এর মত করে এজেন্টের মতো সারা বাংলাদেশে ছড়াইয়া দিতে। কিন্তু এগুলোতে এসইসির সাড়া পাওয়া যায়নি। কারন তারা চেয়েছিল সারাদেশে বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমটা আগে চালাবে, পরে এইটা আস্তে আস্তে ছড়াবে। এখন যেমন এজেন্ট ব্যংকিং সারাদেশে আছে, কিছুদিন পর পুজিবাজারও এভাবে ছড়াবে। কিছুদিনের মধ্যেই এই এজেন্ট ব্রোকারেজ ট্রেডটা চালু হয়ে যাবে এবং যেকেউ এজেন্ট ব্রোকারেজের লাইসেন্স নিতে পারবে। আর শুধু ছড়ায়ে গেলেই হবে না, ডিমান্ড এবং সাপ্লাই এর যেই চেইনটা আছে ওইটা সামঞ্জস্য রাখতে হবে। দেখা গেল যে, অনেক আইপিও আসতেছে কিন্তু ডিমান্ড নাই, তাহলে হবে না। এখন আমরা দেখছি বাজারে স্টাটেজিক পার্টনার আসছে। তারা চিন্তা করবে উন্নত লেভেলের কর্পোরেট গভেরনেন্স, তখন ডিএসই-সিএসই ও বিএসইসিকে লেভেলে বদলাতে হবে। আর এইগুলো যদি পরিবর্তন হয়, তাহলে ছোট ছোট ব্রোকারেজ হাউজগুলোতেও অনেক পরিবর্তন আনতে হবে। তাহলে ই বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে, ট্রেড ভলিয়ম বাড়বে এবং মার্কেটটা আরও বিস্তৃত হবে। সেখানে ইনভেস্টমেন্ট আসবে প্রচুর এবং লিস্টেট কোম্পানিসহ সব বিনিয়োগকারীরা লংটার্ম ইনভেস্টমেন্টের জন্য ক্যাপিটাল মার্কেটে ইনভেস্ট করবে। আর ট্যাক্স এর যেই বেনিফিটটা আছে, ওইটা যদি লিস্টেট কোম্পানিগুলোর জন্য আর একটু বাড়ানো যায়, তাহলে বড় বড় কোম্পানিগুলো ক্যাপিটাল মার্কেটে আসতে আরও আগ্রহী হবে। তাহলেই মার্কেটের অবস্থা আরও ভাল হবে।

বিনিয়োগবার্তা: ক্যাপিটাল মার্কেটে একজন তরুন কেন ক্যারিয়ার গড়বে?

মঞ্জুরুল আলম: আসলে প্রচলিত সমাজে ব্যাংকিং জবটা হচ্ছে সবার কাছে একটা আকর্ষনীয় জব। সবাই আগে ব্যাংকে জব চাইত। একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে যে অনেক ছেলে আছে যারা সিএফএ করছে। তারা এই খাতে এত বেশি ইন্টারেস্টেট। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখেছি আমি যে কারনে এ বাজারে এসেছি তারাও ঠিক একি কারনে আসতে চাচ্ছে। তরুনরা চাই সব সময় একটা নতুন কিছু করতে চাই, তাই তরুনরা এখন বেশি ঝুঁকছে। এর কারন এখানে রিটার্নটা চোখে দেখা যায়। এখানে আজকে ইনভেস্ট করলে কাল রিটার্ন পাওয়া যায়। যেকারনে ওরা ব্যাংকের ট্রেডিশনে কাজ করে যে মজাটি না পাচ্ছে; তারচেয়ে অনেক বেশি মজা পাচ্ছে এই ক্যাপিটাল মার্কেটে। এখানে সেলারি স্টাকচারও ভাল, ইনভেস্টেমেন্টের সুযোগ থাকছে। এইখানে ইনভেস্ট করলে খুব তারাতাড়ি রিটার্ন আসে, এখন যেহারে তরুন প্রজন্ম এই মার্কেটে আসছে কিছু দিন পরে ওদের হাতেই চলে যাবে মার্কেটটা। কারন সবাই সিএফএ, এসিএস করে মার্কেটে আসছে। এটি অবশ্যই ভাল লক্ষন। কিছুদিন পরে তরুন প্রজন্ম ক্যাপিটাল মার্কেট কন্ট্রোল করবে। তখন যারা হাউজ পরিচালনা করবে তাদেরকেও অনেক কিছু জানতে হবে।

বিনিয়োগবার্তা: এখানে ক্যারিয়ার গড়ার চ্যালেঞ্জগুলো কি?

মঞ্জুরুল আলম: ক্যাপিটাল মার্কেটে ক্যারিয়ার গড়তে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এখানে কাজ করতে অনেক বেশি জানতে হবে। পুঁজিবাজারের বিভিন্ন টার্ম বুঝতে হবে। আইন কানুন জানতে হবে। আমাদের এখানকার ব্রোকারেজ হাঊজগুলোতে পার্থক্য অনেক। লংকাবাংলা, আইডিএলসি, ব্র্যাক ইপিএলের মতো যেসব ব্রোকার হাঊজগুলো আছে, তাদের সঙ্গে ছোট ছোট হাইজগুলোর বৈষম্য অনেক। পার্থক্য হচ্ছে তারা যেভাবে বিভিন্ন বিষয়কে প্রাধান্য দেয়, অন্যরা তা করেনা। এমনকি ব্যাংকের দ্বারা যে ব্রোকারেজগুলো পরিচালিত, সেগুলোও এত প্রাধান্য দেয়না। আবার যেগুলো নিজস্ব তত্তাবধানে পরিচালিত সেগুলোতে কর্পোরেট গাইড লাইন নাই। এই জন্য এসব বিষয়গুলো আগে সমাধান করতে হবে।

আরেকটি জিনিস বলতে গেলে দেখা যায়, ক্যাপিটাল মার্কেটে ক্যারিয়ারের কোনো শেষ নাই। অনান্য ক্ষেত্রে ৬০ বছরে ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যায়। কিন্তু এখানে কোনো বয়সের বিষয় নেই। আমি এ বাজার নিয়ে কাজ শুরু করছি ২০০৫ সালে। ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে এখনো অনেক বাকি। কিন্তু একজন ইনভেস্টর হিসেবে আমার আরও অনেক কিছু জানার বা শিখার আছে।  আমার এখনো নতুন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে। ক্যাপিটাল মার্কেটে নতুনত্ত্ব আনতে হবে। বিভিন্ন রকম প্রোডাক্ট থাকবে। যার যেইটা নিয়ে কাজ করতে ইচ্ছা হবে, সে সেইটা নিয়ে কাজ করবে। আর  মিউচুয়াল ফান্ড যে আছে, এইটা মানুষের মাথার মধ্যেই নাই। এইটা কিন্তু ব্যাংকের রেট অফ রিটার্ন এর থেকেও অনেক ভাল। এগুলো বিনিয়োগকারীদের বুঝাতে হবে। এসব বিষয় নিয়ে আরও কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। যদি সুযোগ পাই তাহলে বাজার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো।

বিনিয়োগবার্তা: সাধারণ মানুষ কেন ক্যাপিটাল মার্কেটে ইনভেস্ট করবে?

মঞ্জুরুল আলম: আসলে আমাদের দেশের অনেক বিনিয়োগকারীই জানে না যে কেন তারা ক্যাপিটাল মার্কেটে আসছে। জিজ্ঞাসা করলে বলে লাভ বা মুনাফার জন্য আসে। আমি মনে করি শুধু লাভ বা মুনাফার  এর জন্য ক্যাপিটাল মার্কেটে আসার দরকার নাই। প্রথম কথা হচ্ছে আপনি যে ইনভেস্ট করছেন- তাতে কি কি বেনিফিট পাচ্ছেন তা ভাল ভাবে জানতে হবে।

প্রথমত, আপনি ক্যাপিটাল গেইন করছেন, ট্যাক্স ফ্রী, ডিভিডেন্ড এর ওপর আপনি যে ট্যাক্স পাবেন তা ট্যাক্সে দেখাতে পারবেন।  সাধারন ইনভেস্টরকে এগুলো বুজাতে হবে। বিদেশি ইনভেস্টরদেরকে এবং এনআরবি বুঝাতে হবে এখানে কি কি ট্যাক্স বেনিফিট আছে, তাহলেই ওরা আরও বেশি আকৃষ্ট হবে। তাহলে আরও  বেশি বিদেশি ইনভেস্টর এবং এনআরবি আসবে এবং ক্যাপিটাল মার্কেট আরও উন্নত হবে। বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে এই জিনিসগুলো তুলে ধরতে হবে, লোকজনকে ক্যাপিটাল মার্কেটে ইনভেস্ট করার জন্য তাদের সামনে বেনিফিটগুলো তুলে ধরতে হবে।বিশেষ করে রাইট, বোনা্‌স, আইপিও সম্পরকে বিস্তারিত ধারনা বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে তুলে ধরতে হবে।

বিনিয়োগবার্তা:  তরুনদের উদ্দেশে কিছু বলুন।

মঞ্জুরুল আলম: দেশের শিক্ষিত তরুনদের উদ্দেশে আমার একটিই কথা- আপনারা এ বাজারে ক্যারিয়ার গড়ে তুলুন। পুঁজিবাজার একটি আন্তর্জাতিক প্লাটফর্ম। এখানে ক্যারিয়ার গড়ার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। চাকুরীর পাশাপাশি আপনাকে উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ করে দিতে পারে এই পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজারে কাজ করার অনেক ক্ষেত্র রয়েছে। নিজের যোগ্যতাকে কাজে লাগিয়ে বড় হওয়ার এটিই অন্যতম সিঁড়ি। তাই সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠুন। নিজের এবং দেশের উন্নয়নে ভুমিকা রাখুন।

 

(এসকেডি/এসএএম/ ০৩ এপ্রিল ২০১৮)


Comment As:

Comment (0)